শিক্ষার্থী সংকটে বন্ধ হচ্ছে বগুড়ার ৮ ডিপ্লোমা প্রতিষ্ঠান

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬ ২১:৪৮ ।
বিশেষ
পঠিত হয়েছে ৩৪৭ বার।

বগুড়ায় শিক্ষার্থী সংকটের কারণে আটটি বেসরকারি ডিপ্লোমা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত এবং পাঠদান অনুমোদন বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ১৮ জুনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়েছে, বোর্ডের আওতাধীন ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল এবং ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার শিক্ষাক্রম পরিচালনাকারী যেসব প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে না, সেসব প্রতিষ্ঠানের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করা হবে। একই সঙ্গে তাদের পাঠদান অনুমোদনও বাতিল বা প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

 

 

বোর্ডের তালিকায় বগুড়ার আটটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এগুলো হলো- মহানগরীর বনানী এলাকার বগুড়া টেকনোলজিকাল ইনস্টিটিউট, শিববাটি এলাকার কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, কানুছগাড়ী এলাকার বগুড়া ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, শাকপালা এলাকার বগুড়া সেন্ট্রাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, শিববাটি এলাকার একাডেমিক অ্যান্ড প্রফেশনাল ইনস্টিটিউট, শেরপুর উপজেলার শেরউড পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, শালফা এলাকার শালফা টেকনোলজিকাল ইনস্টিটিউট এবং খেজুরতলা মাল্টিপারপাস অ্যান্ড হায়ার পলিটেকনিক।

 

 

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ অবস্থায় ভর্তি কার্যক্রম ও পাঠদান অনুমোদন কেন বাতিল বা প্রত্যাহার করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী ১৮ জুনের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

 

 

বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, দেশের ১৪৭টি বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একই ধরনের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

 

 

বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান ও স্বীকৃতি প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২০-এর উপবিধি ৫.৪ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের ফলাফল, অবকাঠামো, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, ব্যবস্থাপনা কমিটি, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, গ্রন্থাগারসহ অনুমোদনের শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে সরকারের অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড পাঠদানের অনুমতি বাতিল বা প্রত্যাহার করতে পারে।

 

এ ব্যাপারে তালিকায় থাকা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের অফিশিয়াল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।