বগুড়ায় আওয়ামী লীগের ৭ নেতাকর্মী গ্রেফতার

প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২৬ ১৮:১১ ।
বগুড়ার খবর
পঠিত হয়েছে ৮০৭ বার।

বগুড়ার শেরপুর ও ধুনট উপজেলায় নাশকতা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের ৭ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে নাশকতা মামলা রয়েছে। 

 

গ্রেফতাররা হলেন শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি মো. মোমিনুর রহমান (৫০), সীমাবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মো. আব্দুল হাকিম (৫০), ধুনট উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা লাবলু খন্দকার ও নজরুল ইসলাম মিঠু। 

 

অপরদিকে ধুনটে বিএনপি ও যুবদল নেতার দায়ের করা পৃথক দুটি নাশকতা মামলায় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ৩ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

 

এর আগে বুধবার রাতে নিজ নিজ এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন উপজেলার চিথুলিয়া গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে ও গোসাইবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক আরিফুর রহমান দুলাল (৫২), ধুনট পৌর এলাকার শাহজাহান আলীর ছেলে ও পৌর যুবলীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক সুমন (৩৬) এবং বিশ্বহরিগাছা গ্রামের তাহের তালুকদারের ছেলে ও চৌকিবাড়ি ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল তালুকদার (৪২)। 

 

জানা যায়, ২০১৮ সালের ১১ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধুনট শহরের কলাপট্টি এলাকায় বিএনপির প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের নির্বাচনী গণসংযোগ চলাকালে তার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় দুটি জিপ, দুটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর এবং ১০টি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম শাহীন বাদী হয়ে ধুনট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। 

 

এ ছাড়া ২০২৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ধুনট শহরের শহীদ মিনার চত্বরে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মশাল মিছিলকে কেন্দ্র করে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ১৯ ফেব্রুয়ারি ধুনট পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রিপন সেখ বাদি হয়ে থানা মামলা দায়ের করে। মামলায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৯৬ জন নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।

 

ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, গ্রেফতার আসামিদের ধুনট থানা হাজত থেকে বগুড়ার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।