বগুড়ায় বিহঙ্গ আবৃত্তি পরিষদের ২৭ বছর উদযাপন
বগুড়ার আবৃত্তি সংগঠন বিহঙ্গ আবৃত্তি পরিষদের ২৭ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও আবৃত্তি সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। রোববার রাতে জেলার পুরাতন শিল্পকলা মিলনায়তনের সংগঠন কার্যালয়ের বর্ণমালা মঞ্চে প্রতিষ্ঠাবার্ষিক উদযাপন ও আবৃত্তি সন্ধ্যায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ফজলে রাব্বি। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আয়োজন ছিলো শিশু ও বড়দের আবৃত্তি, সংগঠনের প্রাক্তন সদস্যদের স্মৃতিচারণ ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীদের শুভেচ্ছা বিনিময়।
অনুষ্ঠানে শিশুবিভাগের শিক্ষার্থী সার্থক, শ্রেষ্ঠা, রিশান, সাবুহি, মাইছুন, সাইফ ও সিনা ছড়াকার সুকুমার রায়, সুকুমার বড়ুয়া, সঞ্জয় চক্রবর্ত্তী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম সহ অন্যান্য কবিদের শিশুতোষ আবৃত্তি পরিবেশন করে। বড়দের মধ্যে আবৃত্তি পরিবেশন করেন ফারিহা জাহান অপ্তি, ফাতেমা কবির দিয়া, হাসান আলী, ওয়াকিল ইসলাম, শাহারিয়ার আহনাফ, জান্নাতুল ফেরদৌস জ্যোতি, শফিকুল ইসলাম, রাকিবুল ইসলাম এবং ফজলে রাব্বী।
আবৃত্তির ফাঁকে ফাঁকে আমন্ত্রিত অতিথি, প্রাক্তন সদস্য ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। শুভেচ্ছা বিনিময়ে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জাসাস বগুড়া জেলা শাখার আহ্বায়ক ওয়াহিদ মুরাদ, ত্রিতাল শিশু মনন বিকাশ কেন্দ্রের সভাপতি অনুপ কুমার দাস সুবল, নান্দনিক নাট্যদলের সাধারণ সম্পাদক ও নাট্যাভিনেতা খলিলুর রহমান চৌধুরী, মন্দিরা সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি ও সঙ্গীতশিল্পী আলমগীর কবির, বগুড়া শব্দকথন সাহিত্য আসরের সাধারণ সম্পাদক কবি ও সাংবাদিক এইচ আলিম এবং কবি সঞ্জয় চক্রবর্ত্তী। সংগঠনের সভাপতি ও আবৃত্তি প্রশিক্ষক ফজলে রাব্বী তাঁর সমাপনী বক্তব্যে এ দীর্ঘ পথচলায় সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত শিল্পী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন- শুদ্ধ উচ্চারণ ও আবৃত্তির চর্চাকে আরও বিস্তৃত করে নতুন প্রজন্মের কণ্ঠ ও মনন বিকাশে বিহঙ্গ তার সাংস্কৃতিক পথচলা অব্যাহত রাখবে। সবশেষে কেক কাটার মধ্য দিয়ে শেষ হয় বিহঙ্গ আবৃত্তি পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিক উদযাপন ও আবৃত্তি সন্ধ্যা। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সদস্য রাকিবুল ইসলাম।