বগুড়ায় রাস্তা প্রশস্তকরণে বাধা দুই বাড়ি মালিকের, সিটি প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি

প্রকাশ: ০৮ নভেম্বর ২০২৬ ১৮:০৬ ।
বগুড়ার খবর
পঠিত হয়েছে ১ বার।

বগুড়া মহানগরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে রাস্তা প্রশস্তকরণ ও ড্রেন নির্মাণকাজে দুই বাড়ি মালিকের বিরুদ্ধে বাধার অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত উন্নয়নকাজ আটকে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত বাধা দূর করে, অসমাপ্ত কাজ শেষ করার দাবিতে বগুড়া সিটি প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা

 

রবিবার (৮ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে বগুড়া সিটি প্রশাসক এম আর ইসলামের কাছে এলাকাবাসীর পক্ষে এ স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

 

স্মারকলিপিতে বলা হয়, মহানগরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের গণপূর্ত বিভাগ থেকে কাজীখানা পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও ড্রেন নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।

 

এলাকার অধিকাংশ বাড়ির মালিকের সম্মতিতে সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। ড্রেন নির্মাণের সুবিধার্থে আশপাশের বাড়ির মালিকরাও নিজেদের সীমানাপ্রাচীর সরিয়ে নিয়েছেন। কিন্তু ওই এলাকার বাবুল ও বগুড়া সিটি করপোরেশনে কর্মরত জয় নামের দুই ব্যক্তির অসহযোগিতা ও বাধার কারণে সড়কের বাকি অংশের কাজ শেষ করা যাচ্ছে না।  

ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর জানান, এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল রাস্তাটি প্রশস্ত করা এবং পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণ করা।

 

 

সেই লক্ষ্যে অধিকাংশ বাড়ির মালিক স্বেচ্ছায় জায়গা ছেড়ে দিয়েছেন। ড্রেন নির্মাণের জন্য সীমানাপ্রাচীরও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু মাত্র দুই ব্যক্তির কারণে পুরো এলাকার উন্নয়নকাজ আটকে আছে। এতে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, সিটি প্রশাসকের সরাসরি হস্তক্ষেপে সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা দূর করে দ্রুত সড়ক প্রশস্তকরণ ও ড্রেন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করা হোক। এতে এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও চলাচলের সমস্যা নিরসনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।  

 

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কামরুল আলম রিপু, ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি হাকিমুজ্জামান সেলিম, ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি তারিখ মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান, বাড়ির মালিক শাহাদত হোসেন রুমু, আসাদুল হক কাজল, জাহাঙ্গীর আলম লিটন, বিপুল, রাসেল, উলুসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

 

স্মারকলিপি পাওয়ার পর বগুড়া সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকাটি পরিদর্শন করা হয়েছে।