বগুড়ায় বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রী–সন্তানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬ ২০:০০ ।
বগুড়ার খবর
পঠিত হয়েছে ৩১৭ বার।

বগুড়ার ধুনট উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি আবুল মুনছুর আহম্মেদ পাশা, তার স্ত্রী উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি শারমিন সুলতানা দীপ্তি ও ছেলে নাফিস ফয়সাল আকাশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভুক্তভোগীর স্ত্রী বাদী হয়ে ধুনট থানায় এ মামলা করেন।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার উল্লাপাড়া গ্রামের চপল মাহমুদ একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। তার কর্ম এলাকা সমগ্র ধুনট উপজেলা। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সোয়া ৯টায় ধুনট শহর থেকে উল্লাপাড়া গ্রামে বাড়ির দিকে রওনা হন চপল মাহমুদ। পথিমধ্যে ধুনট-শেরপুর আঞ্চলিক সড়কের হুকুম আলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে বিএনপি নেতা আবুল মুনছুর আহম্মেদ পাশা, তার স্ত্রী ও ছেলে চপল মাহমুদের পথরোধ করে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে চপল মাহমুদকে মারপিট করে তার ব্যাগে থাকা প্রায় ৪০ হাজার টাকা কেড়ে নেন।

 

 

 

এ সময় স্থানীয়রা আহত চপল মাহমুদকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ওই দিনই চপল মাহমুদের স্ত্রী নাছিমা খাতুন বাদী হয়ে বিএনপি নেতা আবুল মুনছুর আহম্মেদ পাশা, তার স্ত্রী ও ছেলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। কিন্তু থানা পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করতে গড়িমসি করে। এ অবস্থায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টায় নির্যাতিত পরিবারসহ এলাকাবাসি হুকুম আলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে করেন। এলাকাবাসীর আন্দোলনের চাপে থানা পুলিশ ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করেছে।  

 

 

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি আবুল মুনছুর আহম্মেদ পাশা বলেন, পূর্ব বিরোধের জের ধরে আমার ছেলের সঙ্গে চপল মাহমুদের মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। চপল মাহমুদ আমার ছেলেকে মারপিট করে আহত করেছে। এ ঘটনাটি নিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন আমাকে হয়রানী ও আমার রাজনৈতিক সুনাম নষ্ট করার জন্য আমিসহ আমার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে।  

 

 

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।